আশার আলো দেখাচ্ছে দেশের করোনা রিপোর্ট, দেশে দৈনিক সুস্থতা আর আক্রান্ত প্রায় সমান সমান

আশার আলো দেখাচ্ছে দেশের করোনা রিপোর্ট, দেশে দৈনিক সুস্থতা আর আক্রান্ত প্রায় সমান সমান

নিজস্ব প্রতিবেদন, এদিনের করোনা রিপোর্ট বেশ আশা জাগাচ্ছে দেশবাসীকে। দৈনিক গড় আক্রান্ত পঞ্চাশ হাজার পেরোলেও সুস্থতার হার নেহাত কম নয়।গতকাল সারাদিনে দৈনিক আক্রান্ত আর দৈনিক সুস্থতা ছিল প্রায় সমান সমান। পাশপাশি করোনা হটস্পট মহারাষ্ট্রে করোনা পরিস্থিতি উল্লেখযোগ্য ভাবে উন্নতি হচ্ছে। সেখানে বর্তমানে দৈনিক সুস্থতা অনেকটাই বেশি হচ্ছে দৈনিক আক্রান্তের থেকে। বিগত কয়েকদিন ধরেই সুস্থতার সংখ্যা লাফিয়ে বাড়ছে। তাই সম্প্রতি দৈনিক সুস্থতা আশার আলো দেখাচ্ছে। শেষ চব্বিশ ঘন্টায় সারা দেশে আক্রান্ত হয়েছেন ৫২,৫০৯ জন। যা গতকালের থেকে একটু বেশি।

সংক্রমণের নিরিখে এখনও বিশ্বে তৃতীয় স্থানে আছে ভারত। ২২জুলাই বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা মোট ১৯ লক্ষ ০৮ হাজার ২৫৪ জন। তেমনি সক্রিয় রোগীর সংখ্যাতে এদিন পরিবর্তন দেখা যায়নি। উল্টে কমেছে। এই মুহূর্তে সারা দেশে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ৫ লক্ষ ৮৬ হাজার ২৪৪। গতকাল এই সংখ্যাটা ছিল ৫ লক্ষ ৮৬ হাজার ২৯৮।

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের বুলেটিন অনুযায়ী শেষ চব্বিশ ঘন্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছে প্রায় ৫২ হাজারের মানুষ। পাশাপাশি সুস্থতার সংখ্যা স্বস্তি দিয়েছে। শেষ চব্বিশ ঘন্টায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৫১ হাজারের বেশি মানুষ।তবে গতকাল মৃতের সংখ্যাও ছিল আগের দিনের থেকে বেশি। শেষ চব্বিশ ঘন্টায় দেশে করোনায় বলি হয়েছে ৮৫৭ জন। কোভিড-১৯ সংক্রমণে এ যাবৎ দেশে মৃত্যু হয়েছে প্রায় ৩৯,৭৯৫ জনের। বিশ্বের অন্যান্য জনবহুল দেশের তুলনায় ভারতের মৃত্যুহার এখনও খানিকটা কম।পাশাপাশি এদিন সারা দেশে সুস্থতার সংখ্যা তেরো লক্ষ ছুঁতে চলেছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের বুলেটিন এই মুহূর্তে সারা দেশে সুস্থতার সংখ্যা ১২ লক্ষ ৮২ হাজার ২১৫ জন। ভারতে এখন সুস্থতার হার ৬৭ শতাংশ। আর মৃত্যুহার ২.১ শতাংশ।

ভারতের মহারাষ্ট্র, দিল্লি, তামিলনাড়ু, তেলেঙ্গানা সহ আটটি রাজ্যে করোনা প্রভাব সবচেয়ে বেশি। ৯০ শতাংশ সংক্রমণের খবর এইসব রাজ্যগুলো থেকেই আসছে। এখনও যাঁরা অসুস্থ অবস্থায় আছেন, তাঁদের ৮০ শতাংশ ৪৯ টি জেলার বাসিন্দা। তেমনি গতকাল মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু, অন্ধ্রপ্রদেশ সহ গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলোতে দৈনিক সুস্থতা ছিল দৈনিক আক্রান্তের থেকে অনেকটাই বেশি। যা নিঃসন্দেহে আশাপ্রদ। গতকাল মহারাষ্ট্রে ৭,৭৬০ জন আক্রান্ত হয়। তেমনি সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরে বারো হাজারের বেশি মানুষ।

Leave a Comment