চীনের করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে, মাস্ক চাইলে নাও পড়তে পারে নাগরিকেরা

করোনার উৎসস্থল চিন এবারে কিছু করোনা সংক্রান্ত সাবধানতা শিথিলে উদ্যোগী হয়েছে। গোটা বিশ্ব যেখানে এখনো করোনার দাপটে ব্যাতিব্যাস্ত সেখানে চিন খানিকটা সামলে নিয়েছে মহামারীর মার। বেজিংএ গত ১৩ দিনে আক্রান্ত হননি কেউ। আর গোটা চিন দেশে গত ৫ দিনে কোনো কোভিড সংক্রমণ হয়নি। তাই এবারে বেইজিংয়ে মাস্ক পরা আর বাধ্যতামূলক থাকলো না। নাগরিকেরা এবার মাস্ক ছাড়াই বেইজিংয়ের রাস্তায় বেরোতে পারবে।

গত বছর শেষের দিকে করোনার প্রকোপের পর থেকে এই প্রথম চিন বেশ কিছু সাবধানতার নিয়মাবলী শিথিল করেছে। চিনে এই পর্যন্ত আক্রান্ত ৮৯,৫৬২ জন। গত বছর উহান প্রদেশের একটি বাজার থেকে এর প্রকোপ গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে, এরপর থেকে চিনে ২ দফায় টানা লকডাউন করা হয় এবং এখন সেখানে পরিস্থিতি অনেকটাই ভালো, সংক্রমণের নিরিখে এখন বিশ্বের মধ্যে ৩২ নম্বরে চিন। এর আগে এপ্রিল মাসেও লকডাউন শিথিল করা হয়েছিল কিন্তু তারপর সেদেশে হঠাৎ করে আবার করোনার প্রকোপ বাড়লে নতুন করে লকডাউন ঘোষণা করা হয়। তবে লকডাউন সম্পর্কিত যাবতীয় নিয়মাবলী কঠোর ভাবে পালনের ফলে চিন কিছুটা হলেও করোনা প্রতিরোধে সক্ষম হয়।

তবে সরকারের পক্ষ থেকে মাস্ক না পড়ার ঘোষণা হলেও শুক্রবার বেইজিংয়ের রাস্তায় মাস্ক ছাড়া কাউকে দেখা যায়নি। জনগন যথেষ্ট ভয় পেয়ে আছেন এবং তারা আরো সময় চান, এক সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এক স্থানীয় মহিলা জানান “হঠাৎ করে মাস্ক খুলে রাস্তায় বেরোতে এখনো সাহস হচ্ছে না, দেশে এখন পরিস্থিতি অনেক ভালো কিন্তু এখনো সাবধানতা অবলম্বন করতে চাই “।

তবে ২০ অগাস্ট নতুন করে ২২জন বিদেশী নাগরিকের করোনা ধরা পড়েছে, তাই আপাতত দেশের সীমানা বিদেশিদের জন্য বন্ধ করেছে চিন।

Leave a Comment