৬৯ তম ‘মন কি বাত’-এ দেশকে মহাত্মা গান্ধীর দেখানো আর্থিক দর্শনের পথে হাঁটার কথা বললেন

৬৯ তম ‘মন কি বাত’-এ দেশকে মহাত্মা গান্ধীর দেখানো আর্থিক দর্শনের পথে হাঁটার কথা বললেন

নিজস্ব প্রতিবেদন, আজ সকালে দেশের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ১১ টায় তাঁর ৬৯ তম মন কি বাত অনুষ্ঠানে ভাষণ দেন। প্রতিবারের মতো তিনি আজও আত্মনির্ভর ভারতের কথা বললেন। আর আত্মনির্ভর ভারত গঠনের আরম্ভে রয়েছে কৃষির অবদান। তিনি দাবি করেন, ‘দেশের কৃষকরা এখন তাঁদের স্বইচ্ছার মালিক। এখন থেকে যেখানে ইচ্ছা সেখানেই কৃষকরা তাঁদের ফসল বিক্রি করতে পারবেন। তাতে তাঁদের আয় বাড়বে।’ কৃষকরা প্রতি বছর একর প্রতি শাকসব্জী চাষবাস করে ১০ থেকে ১২ লক্ষ টাকা উপার্জন করছেন এবং তারা নিজের ইচ্ছে মতো বেকারোর কাছে বিক্রি করার ক্ষমতা রাখে। তিনি এও বলেন যে সারা ভারত চাষীদের জন্য গর্বিত।

পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, “কৃষি বিল নিয়ে এক শ্রেণির তরফে ভুল বোঝানো হচ্ছে। আসলে এই বিল দেশের কৃষকদের স্বার্থ রক্ষা করবে। নিজের ইচ্ছায় কৃষকরা এখন তাঁদের উৎপাদিত ফসল বেচতে পারবেন। বলা হচ্ছে, সহায়ক মূল্যের কোনও সংস্থান নেই বিলে। তা একদম ভুল। কৃষকরা চাইলে সহায়ক মূল্যেও পণ্য বিক্রির সুবিধা রয়েছে এই বিলে।” আজকের ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে তিনি দেশের কাহিনীর ইতিহাস নিয়ে কথা বলেন।তাঁর কথায়, “আমি গর্বিত সেই দেশের মানুষ হয়ে যে দেশ হিতোপদেশ ও পঞ্চতন্ত্রের মতো কাহিনীর লালন করে।এই করোনা সঙ্কট একটি পরিবারের সদস্যদের মধ্যে বন্ধন আরও দৃঢ় করেছে। দেশকে আরও আত্মনির্ভর হতে হবে।”

মহাত্মা গান্ধীর প্রসঙ্গ টেনে কংগ্রেসের নাম না করে আক্রমণ শানিয়েছেন তিনি। বলেন, ‘মহাত্মা গান্ধীর দেখানো আর্থিক দর্শনের পথে দেশ যদি চলত, তাহলে আত্মনির্ভর ভারতের স্বপ্ন অনেক আগেই সফল হয়ে যেত।’ উল্লেখ্য, গত ৩০ অগস্টের ‘মন কি বাতে’ কৃষকদের প্রশংসা করেও নরেন্দ্র মোদী বলেছিলেন, করোনা পরিস্থিতিতেও বিপুল শস্য ফলাতে সফল হয়েছেন চাষিরা। সেই সঙ্গে ভারতে স্টার্টআপ ব্যবসা বিকাশে খেলনা শিল্পে জোর দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী।উল্লেখ্য এর আগে ‘মন কি বাত’-এর ৬৮ তম সংস্করণে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছিলেন, ভারতের কাছে পুরো বিশ্বের খেলনা হাব হওয়ার দক্ষতা রয়েছে।

Leave a Comment